মঙ্গলবার , ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধান সংবাদ প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা : এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতিসহ পুরো বেঞ্চ
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা : এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতিসহ পুরো বেঞ্চ

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানিকালে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের তীব্র বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে বার সভাপত…

ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি ২৩ ঘন্টা

ঠাকুরগাঁওবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে যাত্রা শুরু করল ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’। আজ সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জনপদে উচ্চশিক্ষার নতুন দিগন্ত সূচিত হলো। বঙ্গভবনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রায় ৮৬ একর জমির ওপর এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি নির্মাণ করা হচ্ছে। খবর বাসসের।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত সভায় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বড় প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলো। এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের, যা আজ পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে।”

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত করে রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, “আমাদের সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করতে হবে। দেশে সহনশীলতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতাই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারে।”

শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল ইট-পাথরের ইমারত বা উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি অঞ্চলের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার দ্বার উন্মোচন করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে দক্ষ ও মানবিক নাগরিক গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে রাষ্ট্রপতি দেশের শান্তি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়ায় অংশ নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ এবং ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইসরাফিলসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এই উদ্যোগে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

ভিডিও গ্যালারি

সব ভিডিও

সারাদেশ

আন্তর্জাতিক

Image আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধের দহন মার্কিন মুলুকে: প্রতি দুই মিনিটে গচ্ছা যাচ্ছে ১০ লাখ ডলার

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যখন ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন লড়াইয়ের গর্জন, আর তখন তার তপ্ত আঁচ গিয়ে লাগছে আটলান্টিকের ওপারে মার্কিন মুলুকের সাধারণ মানুষের পকেটে। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এখন আর কেবল ভূরাজনৈতিক মানচিত্রের লড়াই নেই; তা রূপ নিয়েছে মার্কিন নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনযুদ্ধের আশঙ্কায়। যুদ্ধের জেরে জ্বালানির বাড়তি দাম মেটাতে গিয়ে ইতিমধ্যে মার্কিন ভোক্তাদের পকেট থেকে অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন (১০ হাজার কোটি) ডলারের বেশি বেরিয়ে গেছে।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটসন ইনস্টিটিউটের ‘ক্লাইমেট সলিউশনস ল্যাব’-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে পেট্রল ও ডিজেলের পেছনে মার্কিন নাগরিকদের এই বিশাল অঙ্কের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে।

প্রতি দুই মিনিটে গচ্ছা যাচ্ছে ১০ লাখ ডলার
গবেষণার হিসাবটি চমকে দেওয়ার মতো। বর্তমানে যে গতিতে জ্বালানির দাম বাড়ছে, তাতে প্রতি দুই মিনিটে মার্কিন ভোক্তাদের অতিরিক্ত ১০ লাখ ডলার গুনতে হচ্ছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত একটি গড়পড়তা মার্কিন পরিবারকে কেবল জ্বালানি খাতের বাড়তি ব্যয় মেটাতে ৭৬০ ডলারের বেশি খরচ করতে হয়েছে।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলছেন, ১০০.৪ বিলিয়ন ডলারের এই হিসাবটি একটি তুলনামূলক চিত্র। যুদ্ধ না হলে জ্বালানির দাম কেমন থাকত এবং যুদ্ধের কারণে বর্তমানে দাম কত এই দুইয়ের ব্যবধান থেকেই অতিরিক্ত ব্যয়ের এই খতিয়ান তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু পেট্রলেই বাড়তি খরচ হয়েছে ৫৫.০১ বিলিয়ন ডলার।

গ্যাস স্টেশনে অস্বস্তি
যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ব্যক্তিগত গাড়ি। কিন্তু গ্যাস স্টেশনগুলোতে এখন তেলের দাম দেখে কপালে ভাঁজ পড়ছে সাধারণ মানুষের। সাম্প্রতিক শ্রমিক দিবসের ছুটিতে দেখা গেছে, দেশজুড়ে নিয়মিত গ্যাসোলিনের গড় দাম প্রতি গ্যালনে ৪.১৪ ডলারে ঠেকেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় এক ডলার বেশি। অন্যদিকে, ডিজেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৫.৮৫ ডলার। শতাংশের হিসেবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গ্যাসোলিনের দাম ৩৯ শতাংশ এবং ডিজেলের দাম ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মূল্যবৃদ্ধির পুরো দায় কেবল যুদ্ধের নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও চাহিদা, মজুত পরিস্থিতি এবং পরিবহন ঝুঁকির মতো বিষয়গুলোও এখানে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।

পণ্য ও সেবায় বাড়তি খরচের শঙ্কা
জ্বালানির এই দাম বৃদ্ধি কেবল ব্যক্তিগত গাড়ির চাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাক ও লরির মাধ্যমে পণ্য পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষি ও নির্মাণ খাতে। পণ্যবাহী যানের খরচ বাড়লে শেষ পর্যন্ত তার বোঝা সাধারণ ক্রেতার ওপরই পড়ে। ফলে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

উদ্বেগের কেন্দ্রে হরমুজ প্রণালি
আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মূল কেন্দ্রবিন্দু এখন হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই প্রণালি ঘিরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আতঙ্ক বিরাজ করছে বাজারে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলারে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি ৯৩ ডলার ছুঁইছুঁই। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাত যদি আরও ছড়িয়ে পড়ে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তবে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, আধুনিক বিশ্বের যুদ্ধগুলো কেবল নির্দিষ্ট কোনো সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর আর্থিক ধাক্কা সমুদ্র পেরিয়ে পৌঁছে যায় সাধারণ মানুষের ডাইনিং টেবিল পর্যন্ত।

(তথ্যসূত্র: ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়, অ্যাক্সিওস ও রয়টার্স)

Image ভারত
পাপকর্ম রুখতে গীতাপাঠের পরামর্শ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

আধ্যাত্মিকতা ও সেবার সংমিশ্রণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উত্তর চব্বিশ পরগনার বেলঘরিয়ার ঐতিহাসিক আদ্যাপীঠ মন্দির পরিদর্শন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি মন্দিরের নবনির্মিত প্রধান তোরণ এবং ভক্তদের জন্য নতুন একটি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ভক্ত ও আবাসিকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি আধ্যাত্মিক চেতনার পাশাপাশি সমসাময়িক সামাজিক অবক্ষয় রোধে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।


এদিন দুপুরে আদ্যাপীঠ আশ্রমে পৌঁছালে শুভেন্দু অধিকারীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আদ্যাপীঠের বর্তমান অধ্যক্ষ ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই। আশ্রমের আবাসিক ও শিক্ষার্থীরা প্রসাদী মালা পরিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন। এরপর তিনি ফিতে কেটে মন্দিরের সুদৃশ্য নবনির্মিত মূল প্রবেশদ্বার বা তোরণের উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে ভক্ত ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবার কথা মাথায় রেখে আশ্রমের পক্ষ থেকে চালু করা নতুন অ্যাম্বুল্যান্সটির যাত্রারম্ভ করেন তিনি।


উদ্বোধনী পর্ব শেষে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চলে যান আদ্যাপীঠের গোশালায়। সেখানে তিনি পরম মমতায় গো-সেবা করেন। এরপর মূল মন্দিরে প্রবেশ করে আদ্যা মায়ের বিশেষ পূজা ও আরতিতে অংশ নেন। বিশ্বশান্তি ও জনকল্যাণের প্রার্থনায় তিনি বেশ কিছুক্ষণ মন্দিরে অতিবাহিত করেন। পূজা শেষে তিনি আশ্রম পরিচালিত অনাথ আশ্রম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আশ্রমের ভবিষ্যৎ উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ও সমাজসেবামূলক কাজের খোঁজখবর নেন তিনি।


মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে উঠে আসে আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক দর্শনের মেলবন্ধন। গেরুয়া রঙের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, "গেরুয়া কোনো রাজনৈতিক দলের রঙ নয়; এটি হলো ত্যাগ ও কৃচ্ছসাধনের প্রতীক। প্রতিটি সনাতনী প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্যই হলো আর্তমানবতার সেবা করা।"

আরজি কর হাসপাতালের সাম্প্রতিক ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মানুষকে পাপকাজ ও হিংসা থেকে দূরে রাখতে এবং সুস্থ সমাজ গড়তে নিয়মিত গীতাপাঠ ও নৈতিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সনাতনী সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারের প্রয়োজনীয়তাও তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, "প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে মা গঙ্গার সঙ্গে বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরকে সংযুক্ত করেছেন, তা ভারতের আধ্যাত্মিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।"

শুভেন্দু অধিকারীর এই সফরকে কেন্দ্র করে আজ গোটা আদ্যাপীঠ মন্দির চত্বরে ছিল সাজ সাজ রব। আশ্রমের শিক্ষার্থী, আবাসিক এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ এক উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। আধ্যাত্মিক জাগরণ ও সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে সফর শেষ করেন তিনি।

এই বিভাগে এখনো কোনো খবর প্রকাশিত হয়নি

এই বিভাগে এখনো কোনো খবর প্রকাশিত হয়নি

Image মধ্য প্রাচ্য
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীর আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দামেস্কের ফৌজদারি আদালত এ রায় ঘোষণা করে।

কাতারভিত্তিক বার্তা সংস্থা আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, আসাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রায়টি অন্তর্বর্তীকালীন কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রথম কোনো রায়। এতে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে বাশার আল আসাদকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। আর আতেফ নাজিবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা ও নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে দেরা প্রদেশে আসাদ সরকারের দ্বারা সংঘটিত অপরাধগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

আসাদের সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আতেফ নাজিব তার চাচাতো ভাই। তিনি সিরিয়ার সেনাবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে ছিলেন। ২০১১ সালে আসাদের অধীনে দক্ষিণ সিরিয়ার দারা প্রদেশে রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। দক্ষিণ দারা প্রদেশে দমন-পীড়নের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তাকে এ দণ্ড দেয়া হয়েছে।

রায়ে আরো বলা হয়েছে, নাজিব ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা এবং তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। আদালত বলেছেন, তার এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামপন্থী নেতৃত্বাধীন বাহিনী দামেস্কের দিকে এগিয়ে আসতে থাকলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিরিয়া থেকে মস্কোতে পালিয়ে যান বাশার আল-আসাদ। তবে এ সময় নাজিব পালাতে পারেননি। ফলে তাকে আটক করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

Image ইউএসএ
ইরান যুদ্ধের দহন মার্কিন মুলুকে: প্রতি দুই মিনিটে গচ্ছা যাচ্ছে ১০ লাখ ডলার

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যখন ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন লড়াইয়ের গর্জন, আর তখন তার তপ্ত আঁচ গিয়ে লাগছে আটলান্টিকের ওপারে মার্কিন মুলুকের সাধারণ মানুষের পকেটে। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এখন আর কেবল ভূরাজনৈতিক মানচিত্রের লড়াই নেই; তা রূপ নিয়েছে মার্কিন নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনযুদ্ধের আশঙ্কায়। যুদ্ধের জেরে জ্বালানির বাড়তি দাম মেটাতে গিয়ে ইতিমধ্যে মার্কিন ভোক্তাদের পকেট থেকে অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন (১০ হাজার কোটি) ডলারের বেশি বেরিয়ে গেছে।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটসন ইনস্টিটিউটের ‘ক্লাইমেট সলিউশনস ল্যাব’-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে পেট্রল ও ডিজেলের পেছনে মার্কিন নাগরিকদের এই বিশাল অঙ্কের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে।

প্রতি দুই মিনিটে গচ্ছা যাচ্ছে ১০ লাখ ডলার
গবেষণার হিসাবটি চমকে দেওয়ার মতো। বর্তমানে যে গতিতে জ্বালানির দাম বাড়ছে, তাতে প্রতি দুই মিনিটে মার্কিন ভোক্তাদের অতিরিক্ত ১০ লাখ ডলার গুনতে হচ্ছে। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত একটি গড়পড়তা মার্কিন পরিবারকে কেবল জ্বালানি খাতের বাড়তি ব্যয় মেটাতে ৭৬০ ডলারের বেশি খরচ করতে হয়েছে।

ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলছেন, ১০০.৪ বিলিয়ন ডলারের এই হিসাবটি একটি তুলনামূলক চিত্র। যুদ্ধ না হলে জ্বালানির দাম কেমন থাকত এবং যুদ্ধের কারণে বর্তমানে দাম কত এই দুইয়ের ব্যবধান থেকেই অতিরিক্ত ব্যয়ের এই খতিয়ান তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু পেট্রলেই বাড়তি খরচ হয়েছে ৫৫.০১ বিলিয়ন ডলার।

গ্যাস স্টেশনে অস্বস্তি
যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ব্যক্তিগত গাড়ি। কিন্তু গ্যাস স্টেশনগুলোতে এখন তেলের দাম দেখে কপালে ভাঁজ পড়ছে সাধারণ মানুষের। সাম্প্রতিক শ্রমিক দিবসের ছুটিতে দেখা গেছে, দেশজুড়ে নিয়মিত গ্যাসোলিনের গড় দাম প্রতি গ্যালনে ৪.১৪ ডলারে ঠেকেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় এক ডলার বেশি। অন্যদিকে, ডিজেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৫.৮৫ ডলার। শতাংশের হিসেবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গ্যাসোলিনের দাম ৩৯ শতাংশ এবং ডিজেলের দাম ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মূল্যবৃদ্ধির পুরো দায় কেবল যুদ্ধের নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ও চাহিদা, মজুত পরিস্থিতি এবং পরিবহন ঝুঁকির মতো বিষয়গুলোও এখানে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।

পণ্য ও সেবায় বাড়তি খরচের শঙ্কা
জ্বালানির এই দাম বৃদ্ধি কেবল ব্যক্তিগত গাড়ির চাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাক ও লরির মাধ্যমে পণ্য পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে কৃষি ও নির্মাণ খাতে। পণ্যবাহী যানের খরচ বাড়লে শেষ পর্যন্ত তার বোঝা সাধারণ ক্রেতার ওপরই পড়ে। ফলে নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

উদ্বেগের কেন্দ্রে হরমুজ প্রণালি
আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মূল কেন্দ্রবিন্দু এখন হরমুজ প্রণালি। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের বড় একটি অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই প্রণালি ঘিরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ায় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আতঙ্ক বিরাজ করছে বাজারে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৭ ডলারে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দামও ব্যারেলপ্রতি ৯৩ ডলার ছুঁইছুঁই। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাত যদি আরও ছড়িয়ে পড়ে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তবে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, আধুনিক বিশ্বের যুদ্ধগুলো কেবল নির্দিষ্ট কোনো সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর আর্থিক ধাক্কা সমুদ্র পেরিয়ে পৌঁছে যায় সাধারণ মানুষের ডাইনিং টেবিল পর্যন্ত।

(তথ্যসূত্র: ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়, অ্যাক্সিওস ও রয়টার্স)

Image ইউরোপ
কানাডায় অভিবাসনে কড়াকড়ি : দালাল ও ভুয়া ল ফার্মের খপ্পরে বাংলাদেশিরা

উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডায় স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন এখন ফিকে হতে শুরু করেছে অনেক বাংলাদেশির জন্য। এক সময়ের উদার অভিবাসন নীতির দেশটি এখন অনেকটা ‘বন্ধ দুয়ার’ নীতি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত কানাডার অভিবাসন ও আশ্রয় নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ফলে বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার বাংলাদেশি। সিবিএসএ-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডা থেকে বিদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠানোর (ডিপোর্টেশন) তালিকায় শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে এখন বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কানাডায় নতুন আসা বাংলাদেশিদের বড় একটি অংশ ভাষা দক্ষতা না থাকা এবং স্থানীয় আইন না বোঝার কারণে এক শ্রেণির প্রতারক দালাল ও নামসর্বস্ব ‘ল ফার্ম’-এর খপ্পরে পড়ছেন। এসব প্রতিষ্ঠান একই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে একাধিক ব্যক্তির নামে ‘কপি-পেস্ট’ মামলা সাজাচ্ছে। প্রতিটি মামলার জন্য আশ্রয়প্রার্থীদের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ হাজার ডলার হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এর একটি বড় অংশ কমিশন হিসেবে চলে যাচ্ছে দালালদের পকেটে। অন্যদিকে, কিছু বৈধ বাংলাদেশি আইনজীবীর ল ফার্ম অতিরিক্ত গ্রাহক নেওয়ায় মামলাগুলো সঠিকভাবে তদারকি করতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।


৪৫ বছর বয়সী মঞ্জুর (ছদ্মনাম) পরিবার নিয়ে দেশটিতে রিফিউজি প্রটেকশন দাবি করেছিলেন। তার আবেদন বাতিল হলেও আইনজীবী তাকে কিছুই জানাননি। নিয়ম অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে আপিল না করায় তাকে সরাসরি ডিপোর্টেশনের নোটিশ দেয় কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ)। অফিসে দেখা করতে গেলে তাকে আটক করা হয় এবং পরিবারকে মাত্র দুই দিন সময় দেওয়া হয় দেশ ছাড়ার গোছগাছ করতে। মঞ্জুরের মতো শত শত বাংলাদেশির সাজানো স্বপ্ন এক নিমেষেই চুরমার হয়ে যাচ্ছে।


সিবিএসএ-এর ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, ৯৬৮ জন বাংলাদেশি বর্তমানে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। সংস্থাটির তথ্যমতে, বর্তমানে সব দেশ মিলিয়ে মোট ৪০ হাজার ৮২৭ জন বিদেশি নাগরিক এই তালিকায় আছেন, যার মধ্যে সিংহভাগই রিফিউজি ক্লেইম-সংক্রান্ত।

উদ্বেগের বিষয় হলো, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই ২২৭ জন বাংলাদেশিকে কানাডা থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ২০২০ সালে যেখানে পুরো বছরে এই সংখ্যা ছিল ৩০৮, সেখানে মাত্র ছয় মাসেই সেই সংখ্যার তিন-চতুর্থাংশ ছাড়িয়ে যাওয়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশটির কর্তৃপক্ষ ফেরত পাঠানোর গতি বহুগুণ বাড়িয়েছে। বর্তমানে কানাডা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪০০ জনকে ফেরত পাঠাচ্ছে, যার জন্য সরকার ৩০.৪ মিলিয়ন ডলারের বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করেছে।


কানাডার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদনের গ্রহণযোগ্যতা আশঙ্কাজনক হারে কমছে।

  • ২০২৪ সালে: বাংলাদেশিদের রিফিউজি আবেদনের গ্রহণযোগ্যতার হার ছিল প্রায় ৮১ শতাংশ।

  • ২০২৫ সালে: এই হার নেমে দাঁড়ায় ৫৮ শতাংশে।

  • ২০২৬ (জানুয়ারি-মার্চ): গ্রহণযোগ্যতা আরও কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৬ শতাংশে।

বর্তমানে প্রায় ১৯ হাজার ৯৭২টি বাংলাদেশি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। কর্মকর্তাদের কঠোর অবস্থান এবং কড়াকড়ির কারণে এই আবেদনগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত।


২০২৬ সালের মার্চে পাস হওয়া সি-১২ বিল আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য মরণকামড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী, কানাডায় প্রবেশের এক বছরের বেশি সময় পর কেউ আশ্রয় দাবি করলে তা সরাসরি বাতিল হতে পারে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের ক্ষেত্রেও আইন অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে।

 

সম্প্রতি শেষ হওয়া ফুটবল বিশ্বকাপও বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পাওয়ার পথ কঠিন করে তুলেছে। বিশ্বকাপ উপলক্ষে পাওয়া মাত্র ৪৫টি ভিজিটর ভিসার মধ্যে ১০ জনই কানাডায় গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। এই ধরনের প্রবণতা এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবেদন করার কারণে কানাডার সরকার বাংলাদেশ, ভারত ও নাইজেরিয়ার মতো দেশগুলোকে ‘বিশেষ নজরদারি’র তালিকায় রেখেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক মিথ্যা পরিচয় বা ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা এখন শুধু ঝুঁকিপূর্ণই নয়, বরং যারা বৈধভাবে কানাডায় যেতে চান, তাদের জন্যও এটি একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তথাকথিত দালালদের প্রলোভনে পড়ে সর্বস্ব খুইয়ে বিদেশে গিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে না পড়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই বিভাগে এখনো কোনো খবর প্রকাশিত হয়নি

বিনোদন

খেলাধুলা

মতামত

ফটো গ্যালারী

সব ছবি