সোমবার , ৩১ আগস্ট ২০২৬

প্রধান সংবাদ ফাতেমার স্বপ্নজয়ের সারথি হলেন প্রধানমন্ত্রী : বাধা নেই চীন যাত্রায়
ফাতেমার স্বপ্নজয়ের সারথি হলেন প্রধানমন্ত্রী : বাধা নেই চীন যাত্রায়

মেধার জোরে বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলেও দারিদ্র্য যেন পাহাড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল নাটোরের ফাতেমা খানমের সামনে। চিকিৎসক হওয়ার আজন্ম লালিত সেই স্বপ্ন যখন অনিশ্চয়তার মুখে, ঠিক তখনই তাঁর পাশে দাঁড়ালেন প্রধ…

ভিডিও গ্যালারি

সব ভিডিও

সারাদেশ

আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া এখনো নিখোঁজ আছেন আরও ২ হাজার ৪৯৮ জন। রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে দেশটির সরকার সর্বশেষ আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে।

নিখোঁজের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে আরও অনেক বেশি বলে জানা গেছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ৭৩৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। যেগুলো বন্যাকবলিত বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া গেছে।

এরমধ্যে চিতাওয়ানে সর্বোচ্চ ২৫৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর রয়েছে পূর্ব নাওয়ালপারাসি। সেখানে পাওয়া গেছে ১৮৪টি মরদেহ। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৮২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পশ্চিম নাওয়ালপারাসিতে।

আর গোর্খায় পাওয়া গেছে ৫৮টি মরদেহ। নুয়াকোটে এ সংখ্যা ৫২। ধাধলিংয়ে ৫০, তানাহুনে ৩৬ এবং রাসুয়া থেকে ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে রাসুয়া জেলায়। তবে এটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে মরদেহগুলো ভাসতে ভাসতে কয়েকশ মাইল দূরে চলে গেছে।

অপরদিকে এখন পর্যন্ত জীবিত উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৮ হাজার ১৮৬ জনকে। জীবিতদের উদ্ধারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে হেলিকপ্টার। বন্যার কারণে কিছু কিছু জায়গা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে চারদিন পার হলেও সেখানে এখনো পায়ে হেঁটে বা গাড়িতে করে উদ্ধারকারীরা যেতে পারেননি। সেসব স্থানে যাওয়ার একমাত্র উপায় হলো হেলিকপ্টার।

এদিকে গতকাল নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, এখন পর্যন্ত উদ্ধারকৃত মরদেহগুলোর মধ্যে মাত্র ২০টি শনাক্ত করা হয়েছে। যেহেতু মর্গে আর স্থান নেই এবং মরদেহগুলো রাখার জন্য পর্যাপ্ত ফ্রিজারও নেই; তাই এগুলো এখন সমাহিত করা হবে। এরআগে মরদেহগুলো থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করে রাখা হবে। যেন পরবর্তীতে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা তাদের শনাক্ত করতে পারে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

ভারত

আধ্যাত্মিকতা ও সেবার সংমিশ্রণে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উত্তর চব্বিশ পরগনার বেলঘরিয়ার ঐতিহাসিক আদ্যাপীঠ মন্দির পরিদর্শন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি মন্দিরের নবনির্মিত প্রধান তোরণ এবং ভক্তদের জন্য নতুন একটি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ভক্ত ও আবাসিকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি আধ্যাত্মিক চেতনার পাশাপাশি সমসাময়িক সামাজিক অবক্ষয় রোধে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।


এদিন দুপুরে আদ্যাপীঠ আশ্রমে পৌঁছালে শুভেন্দু অধিকারীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আদ্যাপীঠের বর্তমান অধ্যক্ষ ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই। আশ্রমের আবাসিক ও শিক্ষার্থীরা প্রসাদী মালা পরিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন। এরপর তিনি ফিতে কেটে মন্দিরের সুদৃশ্য নবনির্মিত মূল প্রবেশদ্বার বা তোরণের উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে ভক্ত ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবার কথা মাথায় রেখে আশ্রমের পক্ষ থেকে চালু করা নতুন অ্যাম্বুল্যান্সটির যাত্রারম্ভ করেন তিনি।


উদ্বোধনী পর্ব শেষে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চলে যান আদ্যাপীঠের গোশালায়। সেখানে তিনি পরম মমতায় গো-সেবা করেন। এরপর মূল মন্দিরে প্রবেশ করে আদ্যা মায়ের বিশেষ পূজা ও আরতিতে অংশ নেন। বিশ্বশান্তি ও জনকল্যাণের প্রার্থনায় তিনি বেশ কিছুক্ষণ মন্দিরে অতিবাহিত করেন। পূজা শেষে তিনি আশ্রম পরিচালিত অনাথ আশ্রম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আশ্রমের ভবিষ্যৎ উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ও সমাজসেবামূলক কাজের খোঁজখবর নেন তিনি।


মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে উঠে আসে আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক দর্শনের মেলবন্ধন। গেরুয়া রঙের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, "গেরুয়া কোনো রাজনৈতিক দলের রঙ নয়; এটি হলো ত্যাগ ও কৃচ্ছসাধনের প্রতীক। প্রতিটি সনাতনী প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্যই হলো আর্তমানবতার সেবা করা।"

আরজি কর হাসপাতালের সাম্প্রতিক ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মানুষকে পাপকাজ ও হিংসা থেকে দূরে রাখতে এবং সুস্থ সমাজ গড়তে নিয়মিত গীতাপাঠ ও নৈতিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সনাতনী সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারের প্রয়োজনীয়তাও তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেন, "প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে মা গঙ্গার সঙ্গে বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরকে সংযুক্ত করেছেন, তা ভারতের আধ্যাত্মিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।"

শুভেন্দু অধিকারীর এই সফরকে কেন্দ্র করে আজ গোটা আদ্যাপীঠ মন্দির চত্বরে ছিল সাজ সাজ রব। আশ্রমের শিক্ষার্থী, আবাসিক এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ এক উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়। আধ্যাত্মিক জাগরণ ও সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে সফর শেষ করেন তিনি।

মধ্য প্রাচ্য

গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীর আতেফ নাজিবকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দামেস্কের ফৌজদারি আদালত এ রায় ঘোষণা করে।

কাতারভিত্তিক বার্তা সংস্থা আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, আসাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রায়টি অন্তর্বর্তীকালীন কর্তৃপক্ষের অধীনে প্রথম কোনো রায়। এতে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে বাশার আল আসাদকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন আদালত। আর আতেফ নাজিবকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা ও নির্যাতনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে দেরা প্রদেশে আসাদ সরকারের দ্বারা সংঘটিত অপরাধগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

আসাদের সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আতেফ নাজিব তার চাচাতো ভাই। তিনি সিরিয়ার সেনাবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে ছিলেন। ২০১১ সালে আসাদের অধীনে দক্ষিণ সিরিয়ার দারা প্রদেশে রাজনৈতিক নিরাপত্তা শাখার প্রধান হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। দক্ষিণ দারা প্রদেশে দমন-পীড়নের নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তাকে এ দণ্ড দেয়া হয়েছে।

রায়ে আরো বলা হয়েছে, নাজিব ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা এবং তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। আদালত বলেছেন, তার এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামপন্থী নেতৃত্বাধীন বাহিনী দামেস্কের দিকে এগিয়ে আসতে থাকলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিরিয়া থেকে মস্কোতে পালিয়ে যান বাশার আল-আসাদ। তবে এ সময় নাজিব পালাতে পারেননি। ফলে তাকে আটক করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

বিনোদন

খেলাধুলা

মতামত

ফটো গ্যালারী

সব ছবি