পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বরগুনা-বাকেরগঞ্জ মহাসড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রী ও চালকেরা। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই অংশে বড় বড় খানাখন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবহন চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুবিদখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে। ব্যস্ততম এই সড়কের বড় বড় গর্তের কারণে বাস, ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে প্রায়ই ওই অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় লাগছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সামান্য বৃষ্টি হলেই এই দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। বৃষ্টির পানি জমে সড়কের বড় বড় গর্তগুলো ডোবায় পরিণত হয়। ফলে ওপর থেকে গর্তের গভীরতা ও অবস্থান বোঝা চালকদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। এতে প্রতিনিয়ত যানবাহনগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করছে এবং বিকল হয়ে পড়ছে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।
সুবিদখালী রুটের এক বাসচালক বাংলা পত্রিকাকে বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের অবস্থা এতটাই খারাপ যে গাড়ি সোজা রাখা যায় না। বৃষ্টির দিনে গর্তগুলো পানিতে ডুবে থাকলে বোঝাই যায় না কোথায় চাকা পড়ছে। একটু অসাবধান হলেই গাড়ি উল্টে যাওয়ার উপক্রম হয়।’
সড়কটির পাশেই ব্যবসা করেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বৃষ্টি হলে পুরো সড়কে কাদা-পানি এক হয়ে যায়। পথচারীদের হাঁটার কোনো উপায় থাকে না। দ্রুতগতির গাড়ি যাওয়ার সময় নোংরা পানি ও কাদা ছিটকে এসে দোকানপাটের ভেতর ঢোকে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল বাংলা পত্রিকাকে বলেন, ‘সুবিদখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকার সড়কের বেহাল দশার বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কার এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে অবহিত করা হবে।’