কোম্পানিগুলোর দাম বাড়ানোর ঘোষণার পর দুই সপ্তাহ পার হতে চললেও রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কাটেনি। অর্ধেকের বেশি দোকানে ঘুরেই মিলছে না বোতলজাত তেল। দু-একটি দোকানে পাওয়া গেলেও তা কেবল দুই বা পাঁচ লিটারের; বাজারে আধা লিটার ও এক লিটারের বোতলের সরবরাহ একরকম বন্ধ রয়েছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও তেল মিলছে না। বাজারে চাহিদার তুলনায় সামান্য সয়াবিন ছাড়া হচ্ছে, তাও সীমিত কয়েকটি কোম্পানির ২ ও ৫ লিটারের বোতলে। বোতলজাত তেলের এমন সংকটে দাম বেড়েছে খোলা সয়াবিনেরও। খুচরা বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ২০৫ থেকে ২০৮ টাকায়। আর বোতলজাত সয়াবিন প্রতি লিটার ২০৪ টাকা নির্ধারিত হলেও তা কিনতে বাজারে বেগ পেতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। বিক্রেতাদের অভিযোগ, তেলের কমিশন লিটারপ্রতি মাত্র এক টাকায় নামিয়ে এনে পুরো বাজার জিম্মি করে রেখেছে পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো।
শুক্রবার ঢাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভোজ্যতেলের পাশাপাশি নতুন করে বেড়েছে ডিম ও কাঁচামরিচের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। আর কেজিতে ৬০ টাকার মতো বেড়ে কাঁচামরিচ ঠেকেছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও বিক্রি হয়েছিল ৮০ থেকে ১২০ টাকায়।
তবে ব্রয়লার মুরগির কেজি আগের মতোই ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা ও সোনালী মুরগি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকায় স্থির রয়েছে। বেগুনের কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং বরবটি ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেলেও ঢ্যাঁড়স, পটল, শসা ও লাউসহ অন্যান্য সবজির বাজার আগের মতোই কিছুটা চড়া দর নিয়ে স্থিতিশীল রয়েছে।