সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি কার্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে নতুন নির্দেশিকা তৈরি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়মে ফ্যামিলি কার্ডধারীরা আগের মতো ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি ও ডাল পেলেও সাবান, লবণ, চা, আটা ও মসলার মতো নিত্যপণ্য যুক্ত হচ্ছে ‘ঐচ্ছিক পণ্য’ হিসেবে। এসব পণ্য কার্ডধারীদের বাইরে সাধারণ ভোক্তাদের কাছেও সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন ডিলাররা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতেই এই উদ্যোগ। শিগগিরই নির্দেশিকাটি জারি হবে। নতুন নিয়মে তালিকাভুক্ত প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ভর্তুকি মূল্যে ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ কেজি চিনি এবং চাল বরাদ্দ থাকা সাপেক্ষে ৫ কেজি চাল পাবে। এ ছাড়া রমজান মাসে খেজুর ও ছোলা এবং জরুরি প্রয়োজনে পেঁয়াজ ও আলুর মতো পণ্য যুক্ত হবে। ঐচ্ছিক পণ্য কেনায় ডিলাররা কোনো কার্ডধারীকে বাধ্য করতে পারবেন না।
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ও অনিয়ম রুখতে ‘টিসিবি সেবা অ্যাপস’-এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর যাচাই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এ ছাড়া জালিয়াতি ঠেকাতে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন বা স্মার্ট কার্ড স্ক্যান ছাড়া পণ্য বিতরণ বন্ধ রাখা এবং চালানের টাকা সরাসরি টিসিবির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমার নিয়ম করা হয়েছে। মনিটরিং নিশ্চিত করতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ডিসি ও ইউএনওদের নেতৃত্বে কমিটি এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘ট্যাগ টিম’ গঠনের নির্দেশনা রয়েছে।