বুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অর্থনীতি

পুঁজিবাজারে অর্থপাচার ঠেকাতে বিএফআইইউর কড়া নির্দেশ

Writer
অর্থনীতি প্রতিবেদক
16 Sep, 2026 09:12 AM 1 বার পঠিত 1 মিনিট পড়ার সময়

ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন ঠেকাতে মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি ও পরিপালনব্যবস্থা জোরদার করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এজন্য ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক, পোর্টফোলিও ম্যানেজার, সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পৃথক মানিলন্ডারিং পরিপালন ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে বিএফআইইউ। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো সার্কুলারে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিএফআইইউর সার্কুলার অনুযায়ী, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে ‘চিফ অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার’ (ক্যামলকো)-এর নেতৃত্বে একটি কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট (সিসিইউ) গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে শাখা পর্যায়ে ‘শাখা অ্যান্টি মানিলন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার’ (বিএএমএলকো) নিয়োগের বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় গ্রাহকের হিসাব খোলার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধন সনদসহ প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি (ই-কেওয়াইসি) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বা বাংলাদেশ সরকারের তালিকাভুক্ত নিষিদ্ধ ব্যক্তির সঙ্গে গ্রাহকের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই এবং লেনদেন পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

কোনো লেনদেন অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক মনে হলে শাখা কর্মকর্তা তা কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিটকে জানাবেন। কেন্দ্রীয় ইউনিট যাচাই শেষে প্রয়োজনে ‘গো-এএমএল’ (goAML) ওয়েবের মাধ্যমে দ্রুত বিএফআইইউতে প্রতিবেদন পাঠাবে। এ সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা কঠোরভাবে রক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম পর্যালোচনায় প্রতি ছয় মাসে স্ব-মূল্যায়ন করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে স্বাধীন তদারকি রাখতে হবে। কর্মীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি গ্রাহকের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর থেকে অন্তত পাঁচ বছর পর্যন্ত লেনদেনের যাবতীয় তথ্য ও দলিল সংরক্ষণ করতে হবে।

ট্যাগ: অর্থনীতি