চলতি বছর বাংলাদেশ ক্রিকেটের নানা ব্যর্থতার মধ্যে জিম্বাবুয়ে সফর নিশ্চিতভাবেই সবার ওপরে থাকবে। সেবার একমাত্র টেস্টের পাশাপাশি ওয়ানডে সিরিজেও জিম্বাবুয়ের কাছে বাজেভাবে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই ব্যর্থতার গ্লানি মুছে জয় দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করার লক্ষ্য লিটন কুমার দাসের দলের।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আবুধাবিতে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ সফরের বাজে স্মৃতি ভুলে লিটনদের সামনে এখন নতুনভাবে শুরুর বড় পরীক্ষা।
গত মাসে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারলেও দারুণ লড়াই করেছিল সিকান্দার রাজার জিম্বাবুয়ে। বিশেষ করে শেষ ম্যাচে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের প্রায় হারিয়েই দিয়েছিল তারা; শেষ পর্যন্ত ১ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অজিরা।
ইনজুরির কারণে নিয়মিত অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা না থাকায় এবার জিম্বাবুয়েকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজা। অভিজ্ঞ ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের পাশাপাশি ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারানের মতো তরুণদের ওপরও ভরসা রাখছে দলটি। আর বোলিংয়ে বাংলাদেশের টপ অর্ডারকে পরীক্ষায় ফেলতে প্রস্তুত ব্র্যাড ইভান্স ও ব্লেসিং মুজারাবানি।
অন্যদিকে, চোটের কারণে পেস তারকা নাহিদ রানা না থাকলেও বাংলাদেশে ফিরছেন প্রায় সব চেনা মুখ। চিকিৎসার জন্য রানাকে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে পাঠানো হয়েছে, চলতি মাসের শেষ দিকে তিনি মাঠে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অধিনায়ক লিটন দাসের হাতে পর্যাপ্ত বোলিং বিকল্প থাকায় একাদশ নির্বাচন নিয়ে খানিকটা মধুর সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এশিয়ান গেমসে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারা মোস্তাফিজুর রহমান একাদশে থাকবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। একাদশে চমক হিসেবে দেখা যেতে পারে রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলামকে।
জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে না খেলা লিটন দাস এবার ওয়ানডে অধিনায়ক হয়েই ফিরছেন। তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারের ওপেনিং জুটির পর তিন নম্বরে নাজমুল হোসেন শান্ত, আর মিডল অর্ডে তাওহিদ হৃদয় ও লিটনের ওপর থাকবে বড় দায়িত্ব। অলরাউন্ডার হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজ ও মোসাদ্দেক হোসেনের খেলা একপ্রকার নিশ্চিত।
সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে জিম্বাবুয়ে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও, লিটনদের লক্ষ্য শুধুই জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করা।
