আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৫ নম্বর কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ মোজাম্মেল হোসাইন খান (মজনু), কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মজিবুর রহমান এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. কামাল হোসাইন বাবুলের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আলোচনায় থাকা ব্যক্তিরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। সামাজিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা নিজেদের পরিচিতি ধরে রাখছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে আলহাজ মোজাম্মেল হোসাইন খান (মজনু)কে ঘিরে তুলনামূলক বেশি আলোচনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের সামাজিক যোগাযোগ এবং স্থানীয় বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে এলাকায় তার পরিচিতি রয়েছে।
অন্যদিকে মো. কামাল হোসেন, মো. আবদুর রাজ্জাক, মো. মজিবুর রহমান ও মো. কামাল হোসাইন বাবুলের নামও স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারাও বিভিন্ন পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়নি। একইভাবে ভোটারদের পক্ষ থেকেও কারও প্রতি সমর্থন চূড়ান্ত হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, প্রার্থিতা চূড়ান্ত এবং আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড, প্রচার-প্রচারণা ও জনসম্পৃক্ততার ওপর ভিত্তি করে ভোটারদের অবস্থানেও পরিবর্তন আসতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৫ মে কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই উপনির্বাচনে মো. সেলিম মিয়া চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মো. কামাল হোসেন।