১৬ বছর বয়সী তরুণ প্রতিভা ম্যাক্স ডোম্যানের দুর্দান্ত জোড়া গোলে কারাবাও কাপের তৃতীয় রাউন্ডের বাধা পেরিয়ে শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল। প্রতিপক্ষের মাঠে ইপসউইচ টাউনকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। জোড়া গোলের পাশাপাশি ম্যাচের অন্য দুটি গোল তৈরি করাতেও ভূমিকা রেখে নিজেকে আরও একবার ইংলিশ ফুটবলের প্রতিশ্রুতিশীল তারকা হিসেবে জানান দিলেন ডোম্যান।
পোর্টম্যান রোডে কাল ম্যাচের সাত মিনিটেই ব্যক্তিগত একক নৈপুণ্যে আর্সেনালকে এগিয়ে নেন ডোম্যান। বল কেড়ে নিয়ে এদেরিকি এজের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে সেড্রিক কিপ্রেকে কাটিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন এই ১৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ১৬ মিনিটে দলের দ্বিতীয় গোলেও হাত ছিল তাঁর; ডোম্যানের তৈরি করা চাপের সুযোগ নিয়ে মিকেল মেরিনোর পাস থেকে ব্যবধান ২-০ করেন নোনি মাদুয়েকে।
বিরতির পর মাঠে ফিরেই আবারও আর্সেনালকে উল্লাসে মাতান ডোম্যান। দ্বিতীয় অর্ধে খেলার মাত্র ৯৮ সেকেন্ডের মাথায় মার্টিন জুবিমেন্দির ডিফ্লেক্টেড পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের দূরন্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি পূর্ণ করেন তিনি।
এই গোলের মধ্য দিয়ে প্রিমিয়ার লিগের কোনো দলের সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে এক ম্যাচে জোড়া গোল করার বিরল কীর্তি গড়েন ডোম্যান। ২০০২ সালে রেক্সহ্যামের বিপক্ষে লিগ কাপের ম্যাচে ১৬ বছর বয়সে জোড়া গোল করেছিলেন ওয়েন রুনি; দীর্ঘ ২৪ বছর পর প্রথম কোনো ১৬ বছর বয়সী ফুটবলার হিসেবে সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন ডোম্যান।
৫৮ মিনিটে আর্সেনালের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন মেরিনো। চার গোল হজমের পর অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে স্বাগতিক ইপসউইচ। ৬২ মিনিটে আনিস মেহমেতি এবং ম্যাচের শেষদিকে লেইফ ডেভিসের পাস থেকে চুবা আকপম গোল করে ব্যবধান ৪-২-এ নামিয়ে আনেন। তবে স্বাগতিকদের এই চেষ্টা আর্সেনালের জয় আটকে রাখার জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ম্যাচের আগে আর্সেনাল ম্যানেজার মিকেল আর্তেতা বলেছিলেন, একাদশে প্রতিটি মিনিট ডোম্যানকে পারফরম্যান্স দিয়েই অর্জন করতে হবে। মাঠে নেমে মাত্র সাত মিনিটের মাথায় গোল করে কোচের সেই চ্যালেঞ্জেরই জবাব দিলেন ১৭ বছর পূর্ণ হতে তিন মাস বাকি থাকা এই ইংলিশ তরুণ।