চোখের জন্মগত জটিলতায় ভুগতে থাকা বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার তিন বছর বয়সী শিশু আবু বক্করের চিকিৎসার সম্পূর্ণ মানবিক দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আবু বক্করের চোখ ভালো করতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আরও দুটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন থাকলেও অর্থসংকটে দিনমজুর বাবার পক্ষে সেই ব্যয় বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগে ফুটফুটে শিশুটির দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনায় অসহায় পরিবারটিতে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের সিদেল গ্রামের দিনমজুর বাবার দুই সন্তানের মধ্যে ছোট আবু বক্কর। জন্ম থেকেই চোখ সংক্রান্ত জটিল রোগে আক্রান্ত সে। সীমিত আয়ে পরিবার চালানোর পাশাপাশি ইতোমধ্যেই ধারদেনা করে শিশুটির চোখে তিনবার অস্ত্রোপচার করানো হয়। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানান, চোখ পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে আরও অন্তত দুটি বড় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। এ অবস্থায় সন্তানের উন্নত চিকিৎসার খরচ চালাতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়ে দিনমজুর পরিবারটি।
এমতাবস্থায় শিশু আবু বক্করের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে পরিবার ও স্থানীয়দের তৈরি একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। বিষয়টি জানার পর পরই তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির সুচিকিৎসা ও সহায়তার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে শিশুটির সকল চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন এবং সদস্য সচিব মুকছেদুল মোমিন মিথুনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসার অগ্রগতি ও শারীরিক স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর বগুড়ার প্রতিনিধি মো. রাশেদুজ্জামান পিয়াস।
প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও মানবিক সহযোগিতায় আবেগাপ্লুত শিশুটির পরিবার ও স্বজনরা। উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে শিশু আবু বক্কর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক দৃষ্টি ফিরে পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
