শুক্রবার , ০২ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয়

বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

Writer
বাংলা পত্রিকা ডেস্ক
30 Sep, 2026 06:49 PM 7 বার পঠিত 1 মিনিট পড়ার সময়

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে চীনের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এই আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং টেকসই প্রত্যাবাসনে চীনের চলমান উদ্যোগ কার্যকর সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ উচ্চপ্রযুক্তির বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে চীনা বিনিয়োগ বাড়াতে রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
বৈঠকে কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডোর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরসহ বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক যোগাযোগের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে চীন ও অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে সর্বদা প্রস্তুত। মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ দেশের শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান তিনি।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, `শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে আমাদের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃত্বের সফরসমূহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সুদৃঢ় করেছে। চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও অন্যতম কৌশলগত অংশীদার।'
১০০০ শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) জটিল ব্লাড ক্যান্সারের উন্নত চিকিৎসায় চীনের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কামনা করেন, যেখানে রাষ্ট্রদূত ইতিবাচক আশ্বাস প্রদান করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন উপস্থিত ছিলেন।
ট্যাগ: জাতীয়