নবী-রাসুল ও সাহাবিদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ এবং তাদের বিরুদ্ধাচারণকারীদের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের আশপাশে থাকার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
রিদওয়ান মাযহারী বলেন, ‘যারা আম্বিয়া কেরাম ও সাহাবায়ে কেরামের বিরুদ্ধাচারণ করে, তাঁদের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ায় এবং সমালোচনা করে—তাদের বায়তুল মোকাররমে আসা তো দূরের কথা, বায়তুল মোকাররমের আশপাশে থাকারও কোনো অধিকার নেই।’
সমাবেশে বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে নিয়ে চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করে তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। রিদওয়ান মাযহারী বলেন, ‘আমাদের জাতীয় মসজিদের খতিব ও আলেম সমাজকে নিয়ে যে গভীর চক্রান্ত চলছে, আমরা তার কঠোর প্রতিবাদ জানাই।’
জাতীয় মসজিদের মিম্বারে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন—সে বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ছাত্র জমিয়ত সভাপতি বলেন, ‘পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, একমাত্র তিনিই বায়তুল মোকাররমের মিম্বারের প্রতিনিধিত্ব করবেন, যিনি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যিনি দেশের মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে সত্যের বাণী উচ্চারণ করতে পারবেন, তিনিই এই মিম্বারের যোগ্য। রাজনৈতিক স্বার্থে যারা বিদেশি শক্তির দাসত্ব গ্রহণ করে, তাদের এই মিম্বারের প্রতিনিধিত্ব করার কোনো অধিকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা সত্যের পক্ষে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারবেন এবং বাতিলের মোকাবিলা করতে পারবেন, তাঁদেরই বায়তুল মোকাররমের মিম্বারে বসতে দেওয়া হবে।’
খতিব মুফতি আব্দুল মালেক ও জাতীয় মসজিদের মিম্বারের মর্যাদা রক্ষায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে—বায়তুল মোকাররমের পবিত্র মিম্বারের আমানত রক্ষায় আমরা সর্বস্ব বিলীন করতে প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, ফ্যাসিবাদের বিচার কার্যকর, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
