মঙ্গলবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয়

বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

Writer
বাসস
21 Sep, 2026 10:09 PM 2 বার পঠিত 1 মিনিট পড়ার সময়

ছবি: সংগৃহীত

 জাতীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বস্ত্রশিল্পের অবদানের প্রশংসা করে এ খাতের নানা সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ সকালে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এ তথ্য জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বস্ত্র খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বস্ত্র খাতকে এগিয়ে নিতে প্রতিযোগী দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

একইসঙ্গে তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন এবং বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহলে তুলে ধরার পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও আমরা আমাদের অর্থনীতিকে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। তবে বর্তমানে গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ফলে অর্থনীতির খাতগুলোকে পুনর্নির্মাণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

এ সময় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সময়ে জ্বালানি সংকটই সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিগত সময়ে দেশের নিজস্ব গ্যাস ও জ্বালানি অনুসন্ধান, আহরণ এবং দীর্ঘস্থায়ী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তবে জ্বালানি সংকট সমাধানে বর্তমান সরকারের আন্তরিক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

সাক্ষাৎকালে বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্রশিল্পের অবদান তুলে ধরেন।

তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে দেশের বস্ত্র খাতের বিকাশ ও উন্নয়নে নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা স্মরণ করেন এবং এ খাতের বর্তমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

এ সময় প্রতিনিধিদলের নেতারা দেশীয় বস্ত্রকল সুরক্ষায় ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন (তুলা) সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতা আমদানির সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার ওপর জোর দেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিববৃন্দ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ: জাতীয়