নিউইয়র্ক, ৩ ফেব্রুয়ারি: যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি প্রকাশিত জেফরি এপস্টেইনের কয়েক হাজার পৃষ্ঠার গোপন নথি বা ‘এপস্টেইন ফাইল’ বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এই নথিতে বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও তারকার নাম উঠে এসেছে, যার মধ্যে পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসন-এর নামও রয়েছে। এতে ভক্ত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের উদয় হয়েছে, বিশেষত ফ্লোরিডার পাম বিচে এপস্টেইনের বিলাসবহুল প্রাসাদে তার উপস্থিতি নিয়ে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, জ্যাকসন এপস্টেইনের বিতর্কিত প্রাসাদে উপস্থিত ছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এপস্টেইনের সহযোগী ও অভিযোগকারী জোহানা সজোবার্গ আদালতে জানিয়েছেন, তিনি প্রাসাদে থাকাকালীন মাইকেল জ্যাকসনকে দেখেছিলেন। সজোবার্গের ভাষ্যমতে, জ্যাকসনের উপস্থিতি শুধু সামাজিক বা সৌজন্যমূলক ছিল। তিনি সেখানে কোনো অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হননি এবং কারও কাছ থেকে বিশেষ কোনো ‘সেবা’ গ্রহণ করেননি।
আইনজীবী ও বিশ্লেষকরা মনে করান, নথিতে নাম থাকা মানেই অপরাধী নয়। যেহেতু এপস্টেইন একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন, তাই তার সামাজিক বৃত্তে অনেক বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তির যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল। মাইকেল জ্যাকসনের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
ফলে, এখন পর্যন্ত প্রকাশিত নথিতে যৌন নিপীড়ন বা পাচারের মতো কোনো গুরুতর অভিযোগ নেই।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জ্যাকসনের ভক্তরা তার পক্ষ নিয়ে সরব হয়েছেন। তাদের দাবি, পপ সম্রাটকে বিনা কারণে কলঙ্কিত অধ্যায়ের সঙ্গে জড়ানো হচ্ছে।
পুরো এপস্টেইন ফাইল এখনও বিশ্লেষণাধীন, এবং বিশ্ববাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে আরও কোনো চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে কি না তা দেখার জন্য।