• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঠেকাতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান ইউএই-এর বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান: নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে একমাত্র সাড়া বিএনপির ঘুমের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মস্তিষ্কের কোষ: গবেষণা দুই বিয়ের গুজব নিয়ে যা বললেন এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু সঠিক সিদ্ধান্তে ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে, ব্যর্থ হলে আবার বিপদে পড়বে দেশ: মির্জা ফখরুল সিংড়ায় ধানের শীষের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২ চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা, কার্যক্রম স্থবির কোনো মামু খালুকে ছাড় দিয়ে কথা বলবো না: জামায়াত আমির ৬ ঘণ্টারও কম সময়ে ফের স্বর্ণের দামে বড় লাফ ঘরে ফিরলেন সোহেল, ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা

কেনা দামের চেয়ে কম দামে বিক্রি হয় স্বর্ণ?

রির্পোটার / ১৩ পাঠক
আপডেট মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্বর্ণকে অনেকেই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করেন। বিয়ে, উৎসব বা ভবিষ্যতের সুরক্ষার জন্য মানুষের ওপর এ বিশ্বাস বহু প্রজন্ম ধরে অটুট। তবে অনেকেই অভিজ্ঞতা থেকে অবাক হন, যখন দেখেন যে স্বর্ণ এক সময় উচ্চমূল্যে কেনা হলেও বিক্রির সময় দাম কমে যায়। এর পেছনে রয়েছে কিছু বাস্তব ও যুক্তিসঙ্গত কারণ।

অলংকার ও কাঁচা স্বর্ণের পার্থক্য:
সাধারণত বাজার থেকে আমরা যে স্বর্ণ কিনি, তা কাঁচা স্বর্ণ নয়; বরং অলংকার। অলংকার তৈরির সময় স্বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় নকশা, শ্রম ও কারুকাজের খরচ। কেনার সময় এই খরচ মূল্যবৃদ্ধিতে যুক্ত হয়, কিন্তু বিক্রির সময় দোকানদার কেবল স্বর্ণের বিশুদ্ধ ওজনের মূল্যই দেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বিক্রির দাম কম হয়।

মজুরি ফেরত না পাওয়া:
স্বর্ণের চেইন, আংটি বা অন্যান্য অলংকার বানাতে স্বর্ণকারের শ্রম ও দক্ষতার জন্য মজুরি দেওয়া হয়। কিন্তু বিক্রির সময় সেই মজুরি ফেরত দেওয়া হয় না, কারণ দোকানটি গলিয়ে পুনরায় ব্যবহার করবে।

ক্যারেট ও ওজনের প্রভাব:
স্বর্ণের বিশুদ্ধতা বা ক্যারেট কমলে (২২, ২১ বা ১৮ ক্যারেট) বাজারমূল্যও কমে যায়। অনেক ক্রেতা কেনার সময় ক্যারেটের বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও, বিক্রির সময় এটি মূল ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়।

বাজার দর ও দোকানের ক্রয়দর:
দোকানগুলো সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজারের নির্ধারিত দরেই স্বর্ণ কিনে না। তারা কিছুটা কম দামে ক্রয় করে নিজের লাভ ও ঝুঁকি সামঞ্জস্য করে, যাতে ভবিষ্যতে মূল্য কমে গেলে ক্ষতি না হয়।

পুরোনো অলংকারে ক্ষয়:
ব্যবহৃত অলংকারে ঘষা, ক্ষয় বা ওজন কমে যাওয়ার বিষয় থাকে। পাথর থাকলে তার ওজন বাদ দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে বিক্রির সময় মূল্য কম ধরা হয়।

ভ্যাট ও করের বিষয়:
কেনার সময় দামে ভ্যাট বা কর যুক্ত হয়, কিন্তু বিক্রির সময় তা ফেরত পাওয়া যায় না। ফলে কেনার ও বিক্রির দামের ব্যবধান বেড়ে যায়।

আবেগমূল্য বনাম বাজারমূল্য:
বিয়ের গয়না বা পারিবারিক উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়া স্বর্ণের সঙ্গে আবেগ জড়িয়ে থাকে। বাজারে এর কোনো প্রভাব নেই; এখানে হিসাব হয় শুধুমাত্র ওজন, ক্যারেট ও দিনের বাজার দর অনুযায়ী।

স্বর্ণ কি খারাপ বিনিয়োগ?
না, দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণ মূল্য ধরে রাখে এবং মুদ্রাস্ফীতি মোকাবেলায় কার্যকর। সমস্যা হয় তখনই, যখন অলংকারকে বিনিয়োগ হিসেবে কেনা হয়। বিনিয়োগের জন্য বার, কয়েন বা ডিজিটাল সোনা তুলনামূলকভাবে বেশি লাভজনক।

বিক্রির আগে করণীয়:
স্বর্ণ বিক্রির আগে কয়েকটি দোকানে দর জেনে নেওয়া, ক্যারেট ও ওজন যাচাই করা এবং বাজারদর সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি। এতে কিছুটা হলেও ক্ষতি কমানো সম্ভব।

সারসংক্ষেপে, কেনার সময় যে অতিরিক্ত খরচ যুক্ত হয়, বিক্রির সময় তা বাদ পড়েই যায়। তাই স্বর্ণ কেনার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ—এটি কি অলংকার নাকি বিনিয়োগ। ঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নিলে স্বর্ণের ঝিলিক হ


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরোও