• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঠেকাতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রকে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান ইউএই-এর বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান: নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে একমাত্র সাড়া বিএনপির ঘুমের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মস্তিষ্কের কোষ: গবেষণা দুই বিয়ের গুজব নিয়ে যা বললেন এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু সঠিক সিদ্ধান্তে ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে, ব্যর্থ হলে আবার বিপদে পড়বে দেশ: মির্জা ফখরুল সিংড়ায় ধানের শীষের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২ চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা, কার্যক্রম স্থবির কোনো মামু খালুকে ছাড় দিয়ে কথা বলবো না: জামায়াত আমির ৬ ঘণ্টারও কম সময়ে ফের স্বর্ণের দামে বড় লাফ ঘরে ফিরলেন সোহেল, ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা

শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় প্রধান আসামিসহ ৪০ জনের আগাম জামিন

রির্পোটার / ১৬ পাঠক
আপডেট সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম হত্যা মামলায় প্রধান আসামিসহ ৪০ জনকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। তাদের ছয় সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন দেওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি জানান, আগাম জামিন চেয়ে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়।

নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে ঝিনাইগাতী থানায় তার স্ত্রী মার্জিয়া একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাত আরও ৫০০ জনকে আসামি করা হয়। মোট আসামির সংখ্যা ৭৩৪ জন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেলে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান চলাকালে সামনের সারিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি শান্ত হলেও সন্ধ্যার আগে জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল নিজ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে শহরের দিকে অগ্রসর হতে চাইলে প্রশাসনের বাধার মুখে পড়েন। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়।

এই সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন মাওলানা রেজাউল করিম। পরে তাকে ময়মনসিংহে নেওয়ার পথে ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরোও