বিপুল চন্দ্র রায়।।নিজস্ব প্রতিবেদক :
কবি আজহারুল ইসলাম আল আজাদ রচিত ”কেউ খোঁজ রাখে না ” উপন্যাস বইটি টইটই প্রকাশনী থেকে প্রকাশ করেছেন।বাজারে আসার প্রথমদিন থেকে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বইটি ব্যাপক পাঠক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।বইটি বিক্রি হয়েছে প্রচুর। কবি, কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার আজহারুল ইসলাম আল আজাদ । পিতা। মৃত কলম উদ্দিন এবং মাতা: মৃত আলেপজন নেছা। গ্রাম। গাড়াগ্রাম, ডাকঘর: খামার গাড়াগ্রাম, উপজেলা। কিশোরগঞ্জ, জেলা: নীলফামারী। পেশা: শিক্ষকতা।
তিনি স্কুল জীবন থেকেই ছড়া, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ লিখছেন। লেখালেখি ও আবৃত্তিতে তিনি অনেক পুরস্কার অর্জন করেন পরবর্তীতে সামাজিক অবক্ষয়ের উপরে লেটোগান, নাটক ও যাত্রা লিখেন। এসব নাটক ও যাত্রা মঞ্চায়িত হয় এবং তিনি নিজেও অভিনয় করতেন। এ কারণে পারিবারিক চাপে এক সময়ে লেখার জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ২০১০ সালে তিনি আবারও লেখালেখির জগতে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লিখছেন। তার লেখায় গ্রামীণ চিত্র ফুটে ওঠে। তিনি একজন সফল সংগঠকও বটে। তিনি সাহিত্য শিখা পরিষদ, কিশোরগঞ্জ এর সভাপতি। বিভাগীয় লেখক পরিষদ, রংপুর এর নীলফামারী জেলা শাখার সহসভাপতি। যায়যায়দিন ফেন্ডস ফোরাম কিশোরগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক। ঢাকা বাংলা বাজার থেকে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা টইটই এর প্রধান সম্পাদক। বালার শব্দচাষী সাহিত্য পত্রিকা‘র প্রধান উপদেষ্টা।
এ পর্যন্ত তার একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে বেশকিছু বই। সাহিতা ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য কবি ফররুখ আহমেদ সাহিত্য পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা ও সনদ লাভকরেন।
তিনি বলেন, কেউ খোঁজ রাখে না বই প্রকাশ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আমার বইটি পাঠক প্রিয়তা পাওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। ভবিষৎতে এটি আরও প্রেরণা জোগাবে।
বইয়ের পাঠক শাকিল হক অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, চমৎকার প্রচ্ছদ দেখে বইটি হাতে নিলাম। খুলেই বেশ মজা পেয়ে গেলাম।লেখার মাঝে ভাবের গভীরতা বিস্মিত করেছে আমাকে। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলেছি বইটির পাতা ।লেখাগুলোর মধ্যে অদ্ভুত আকর্ষণ।
সাজ্জাতুল জামান / বার্তা বিভাগ