• সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৫২ অপরাহ্ন

মোঃ ইমরান হোসাইন, কাশিমপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি / ১২৭ পাঠক
আপডেট মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০২৪

সর্বোগ্রাসী সুমেসরি

মোঃ ইমরান হোসাইন

 

এক পাড়ে বসে একা দেখি পারাপার,

ঐ পাড়ে দেখা যায় শুধু বালুর সমাচার।

মাঝে দিয়ে বয়ে যায় সর্বোগ্রাসী সুমেসরি ,

দুই পাড় ভাঙ্গা এই তার খেলা ।

 

কিছু দূরে দেখা যায় ছোট্ট বালিয়ারি,

কিছু দিন আগে সেথা ছিল ফুফুদের বাড়ি।

সর্বোগ্রসী সুমেসরি নিয়ে এল পাহাড়ি ঢল,

চোখের পলকে সব ভাসিয়ে নিল৷।

 

সর্বোগ্রাসী সুমেসরির জল করে কুল কুল,

তেমনি ফুফুর চোখের জল করে টলমল।

আরো ছেলে-স্বামী হাড়া মায়ের হাহাকার

নতুন বধুর আঁচল অকালে দেয় ফেলে।

 

ফুফুদের ছিল না কিছু কম

সূর্য স্নান হতো সুমেসরির জলে৷।

কি ক্ষতি করেছিল তর করলি এমন ,

অকালে ভাষিয়ে নিলি, শত জীবনের রং।

 

গরীব কৃষক ভিটা, বাড়ি হাড়িয়েছে সব

তর মাঝে ছিল, শিশুদের খেলার মাঠ।

নদীর ঔ পাড়ে ছিলো তাদের, বাজার-হাঠ

পারাপারের জন্য ছিল, প্রিয়াদের খেয়া তরী।

 

প্রিয়াদের খেয়ার তরী আর চলেনা এখন,

বাপ তার মারা গেছে , ভাঙ্গে পাড় যখন।

কবর দেওয়ার জায়গা ছিলো না সেদিন, ,

কলার ভোড়ায় ছিলো মৃত দেহ,

ভাসিয়ে নিয়েছে সর্বোগ্রাসী সুমেসরি

সব হারিয়ে প্রিয়ারা এখন সর্বশান্ত হয়ে,

প্রিয়ারা কোথায় গেছে,খবর নেই আজ,

সর্বোগ্রাসী সুমেসরির এই তার কাজ।

 

বার্তা বিভাগ


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরোও