মোঃ ইমরান হোসাইন
এক পাড়ে বসে একা দেখি পারাপার,
ঐ পাড়ে দেখা যায় শুধু বালুর সমাচার।
মাঝে দিয়ে বয়ে যায় সর্বোগ্রাসী সুমেসরি ,
দুই পাড় ভাঙ্গা এই তার খেলা ।
কিছু দূরে দেখা যায় ছোট্ট বালিয়ারি,
কিছু দিন আগে সেথা ছিল ফুফুদের বাড়ি।
সর্বোগ্রসী সুমেসরি নিয়ে এল পাহাড়ি ঢল,
চোখের পলকে সব ভাসিয়ে নিল৷।
সর্বোগ্রাসী সুমেসরির জল করে কুল কুল,
তেমনি ফুফুর চোখের জল করে টলমল।
আরো ছেলে-স্বামী হাড়া মায়ের হাহাকার
নতুন বধুর আঁচল অকালে দেয় ফেলে।
ফুফুদের ছিল না কিছু কম
সূর্য স্নান হতো সুমেসরির জলে৷।
কি ক্ষতি করেছিল তর করলি এমন ,
অকালে ভাষিয়ে নিলি, শত জীবনের রং।
গরীব কৃষক ভিটা, বাড়ি হাড়িয়েছে সব
তর মাঝে ছিল, শিশুদের খেলার মাঠ।
নদীর ঔ পাড়ে ছিলো তাদের, বাজার-হাঠ
পারাপারের জন্য ছিল, প্রিয়াদের খেয়া তরী।
প্রিয়াদের খেয়ার তরী আর চলেনা এখন,
বাপ তার মারা গেছে , ভাঙ্গে পাড় যখন।
কবর দেওয়ার জায়গা ছিলো না সেদিন, ,
কলার ভোড়ায় ছিলো মৃত দেহ,
ভাসিয়ে নিয়েছে সর্বোগ্রাসী সুমেসরি
সব হারিয়ে প্রিয়ারা এখন সর্বশান্ত হয়ে,
প্রিয়ারা কোথায় গেছে,খবর নেই আজ,
সর্বোগ্রাসী সুমেসরির এই তার কাজ।
বার্তা বিভাগ