বেদনায় আহত
চম্পা রায়
আমার হৃদয়ের কোলে ব্যাথার শিহরণ
তখনই জেগে ছিল অজান্তে
সুন্দরী, হেতালের তলে , ছায়ায়
যখন ছিলাম এই জঙ্গলে একান্তে।
ভুলে যাওয়া পথে খুঁজে পেতে নিতাম
সেই গড়ান ,সুন্দরীর ঘন জঙ্গল
নদীর ঢেউয়ে কখনো স্রোত ভয়ংকর
কখনো কাঁদায় হাঁটা তল।
কুমিরের ছানা আশেপাশে চলা
বুনো শুকুরের গোত্তার বাহার
মন আতঙ্ক ভয়ের তরে
অশান্ত মনে সবসময় আতঙ্কের পাহাড়।
কোলের শিশু শুয়ে শুয়ে হাত পা নাড়ায় ছুটে
আপন খেলারই ছলে
দলে দলে শকুন শকুনি দৃষ্টি রাখে
ওই শিশুর মোহিনী হাসির পলে।
ভয়ে প্রান ওষ্ঠাগত মায়ের মমতায়
কখন যেন কি ঘটে যায়!
ওই জঙ্গলের ছায়া ভরা কাঠের ঘরটায়
মন সারাক্ষণ অশান্ত ছায়ায়।
দল জোড়া সাপের সোহাগ যত
এই ঘরটিকে ঘিরে
যেখানে উল্টানো বাসনপত্র সেখানেই তাদের সমেত
একসাথে একদল জুড়ে।
জীবন ছিল এই ভাবেই ভালো-মন্দের তানে
ভালবাসি জঙ্গল তবু ভয় ছিল ওইখানে।
সাপ, শুকুন, জলের ধারায় কেটেছে জীবনের অনেক কিছু
কুমির কচ্ছপ ওদের মেনে আমি কাঙ্খিত এক শিশু।