• রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ড: ১৪ বছর পরও বিচারহীনতায় হতাশ ছেলে মেঘ

রির্পোটার / ১৯ পাঠক
আপডেট বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আজ ১১ ফেব্রুয়ারি পূর্ণ হলো সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডের ১৪ বছর। ২০০৬ সালের এই দিনে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে দুর্বৃত্তদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সরওয়ার (সাগর) এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনি

ঘটনার সময় তাদের একমাত্র সন্তান মাহির সরওয়ার মেঘ ছিল মাত্র পাঁচ বছর বয়সী। ১৪ বছর পার হলেও হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় মেঘের হতাশা এখনও অব্যাহত।

আজ মেঘ তার ফেসবুক পেজে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন, যেখানে তিনি লিখেছেন:

“এখন ১৪ বছর হয়ে গেছে! আমি জানি না, কেন বা কে আমার মা-বাবাকে হত্যা করেছে। আমি জানি না, কখনো জানতে পারব কি কারণে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছিল। দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমি কতটা হতাশ তা আমি বর্ণনা করতে পারছি না। আমি তাদের খুব মিস করি। অনুগ্রহ করে তাদের জন্য প্রার্থনা করবেন। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাদের জন্য ভালো কিছুই ঠিক করবেন।”

মেঘের এই পোস্টে স্পষ্ট, দীর্ঘ ১৪ বছর পার হলেও হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় তার হতাশা অব্যাহত। তিনি তার মা–বাবার জন্য প্রার্থনা চেয়েছেন এবং আল্লাহর কাছে তাদের শান্তি কামনা করেছেন।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ড এখনও বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের জন্য একটি গভীর ক্ষত। হত্যাকাণ্ডটি প্রকাশ্যে এসেছে সাংবাদিক স্বাধীনতা ও সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার প্রতীক হিসেবে।

এর আগে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শোকজ করেছে আদালত। তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে কারণ ব্যাখ্যা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে এই হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া ও দেরিতে সাড়া সাংবাদিক সমাজে হতাশা তৈরি করেছে। এখনো প্রত্যাশা আছে, বিচার ব্যবস্থা শীঘ্রই কার্যকর হবে এবং হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরোও