হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে বিশেষত তাদের মধ্যে যাদের পরিবারে কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে। হার্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (এলডিএল) বা খারাপ কোলেস্টেরল বংশানুক্রমিক হতে পারে, তাই সতর্ক থাকা জরুরি।
চিকিৎসক সুশান মুখোপাধ্যায় বলেন, “যদি পরিবারের ইতিহাসে হাইপার কোলেস্টেরল থাকে, তবে ২০–২৫ বছর বয়স থেকে নিয়মিত লিপিড প্রোফাইল টেস্ট করা উচিত। কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ধমনিতে মেদ জমিয়ে হার্ট ব্লকেজের ঝুঁকি বাড়ায়, যা অ্যাথেরোসক্লেরোসিস নামে পরিচিত।”
তাঁর পরামর্শে আরও বলা হয়েছে:
রক্তে সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন ও হিমোসিস্টিন পরীক্ষা করানো জরুরি।
প্রতি ডেসিলিটারে সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন ৩ মিলিগ্রামের বেশি হলে চিন্তার কারণ।
হিমোসিস্টিন বেড়ে গেলে ধমনিতে প্লাক জমতে পারে এবং হার্ট ব্লকেজের ঝুঁকি বাড়ে।
নিয়মিত ইসিজি, ব্লাড সুগার ও ব্লাড প্রেসার পরীক্ষা করানো উচিত।
দিনে অন্তত ১ মাইল হাঁটা, ধূমপান ও মদ্যপান এড়ানো, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি।
সংক্ষিপ্ত পরামর্শ:
পরিবারে কোলেস্টেরল সমস্যা থাকলে নিজের রক্ত পরীক্ষা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও ধূমপান-মদ্যপান এড়ানো হার্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।