অনলাইন ডেক্স । ডেইলি বাংলাপত্রিকা ডটকম
বিদ্রোহী কবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র এই কবি ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তবে হিজরি সনের অনুসারে ১২ ভাদ্র উপলক্ষে প্রতিবছর আজকের দিনে তাঁকে স্মরণ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাঁরা বলেন, “কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন মানবতা, সাম্য ও বিদ্রোহের প্রতীক। তাঁর লেখা আজও আমাদের প্রেরণা জোগায়।”
সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে কবির সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন বিভিন্ন সংগঠন, সাহিত্যিক, কবি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সেখানে আয়োজিত আলোচনা সভায় নজরুল চর্চার গুরুত্ব ও তাঁর রচনার প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হয়।
বাংলা একাডেমি, নজরুল ইন্সটিটিউট, শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থাগারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কবিতা আবৃত্তি, নজরুল সংগীত পরিবেশনা, প্রবন্ধ পাঠ ও চিত্রপ্রদর্শনী।
কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি নন, তিনি ছিলেন সংগীতজ্ঞ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সৈনিক। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহসী লেখনী জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিল। “বিদ্রোহী”, “চল্ চল্ চল্”, “আমি সেই দিন হবো রে সারা”, “কারার ঐ লৌহকপাট” সহ অসংখ্য রচনা আজও মানুষকে মুক্তি ও মানবতার বার্তা দেয়।
নজরুল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্য:
জন্ম: ২৪ মে ১৮৯৯, চুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ
মৃত্যু: ২৯ আগস্ট ১৯৭৬, ঢাকা
খ্যাতি: জাতীয় কবি (বাংলাদেশ), বিদ্রোহী কবি
উল্লেখযোগ্য রচনা: বিদ্রোহী, সাম্যবাদী, ভাঙার গান, অগ্নিবীণা, চক্রবাক
সুইটি আক্তার । বার্তা বিভাগ