★মোঃ হাফিজার রহমান★
৩০এপ্রিল একযোগে সারা বাংলাদেশে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়ি
শিক্ষার মান অনেকটা ব্যাহত হয়। কিন্তু শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ত্বরান্বিত করতে সরকারের বিভিন্ন রকম প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
শিক্ষার উন্নয়নের গতি বাড়াতে সরকার বদ্ধপরিকর, শিক্ষাই জাতীর মেরুদণ্ড।
এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রীর সহযোগিতায় ৩০এপ্রিল ২০২৩ ইং হইতে এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্য সুত্রে জানা যায়, রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ৪টি এস এস সি পরীক্ষা কেন্দ্র ২টি মাদ্রাসা বা সমমানের পরীক্ষা কেন্দ্র ও ১টি কারিগরি (ভোকেশনাল) শাখা কেন্দ্র থেকে মোট ৪৭০০ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
পীরগাছা জ্ঞানেন্দ্র নারায়ণ মডেল (জেএন) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১১৯৪জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। মানবিক বিভাগ ৫৩৭জন, বিজ্ঞান বিভাগ ৪৯০জন এবং আংশিক বিষয়ে নিয়ে ১৬৭জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
৭এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় বিষয়ে ১০৪৮জনের মধ্যে অংশ নেয় ১০৪১জন।
কেন্দ্র সচিব হিসেবে ছিলেন এস এম আবু খায়ের মোঃ রুহুল কুদ্দুছ প্রধান শিক্ষক পীরগাছা জ্ঞানেন্দ্র নারায়ণ মডেল (জেএন)সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, মোঃ সানোয়ার মর্শেদ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা। হলসুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, মোঃ হাফিজার রহমান।
কাশিয়া বাড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৮৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে,
মানবিক বিভাগ থেকে ৩৯৬জন, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২৯৩জন এবং আংশিক বিষয় নিয়ে ২০৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
৭এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় বিষয়ে ৭১৮জনের মধ্যে ৭১০জন অংশ গ্রহণ করে।
ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ মোজাহিদুজ্জামান উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার, সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক কাশিয়াবাড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
দেবীচৌধুরাণী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৮৬৯জন পরিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
মানবিক বিভাগ ৪২৪জন, বিজ্ঞান বিভাগ ৪৪৩ জন এবং আংশিক বিষয় নিয়ে ১৯জন পরিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
৭এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় বিষয়ে ৭৭৩জনের মধ্যে ৭৬৬জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে এবং কোন রকম অপ্রিতিথীকর ঘটনা ছাড়াই পরীক্ষা শেষ হয় বলে জানা যায়।
ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ ওয়াজেদ আলী উপজেলা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা, সচিব হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, মোঃ আশরাফুল ইসলাম মন্ডল প্রধান শিক্ষক দেবীচৌধুরানী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আংশিক বিষয় সহ দুই বিভাগে মোট ৪৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে ।
৭এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় বিষয়ে ৪৩০জনের মধ্যে ৪২১জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সম্ভু চরন দাস সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার,
সচিব হিসেবে ছিলেন মোঃ নুরুল ইসলাম (খোকন) প্রধান শিক্ষক বড়দরগা উচ্চ বিদ্যালয়।
পীরগাছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কারিগরি (ভোকেশনাল) শাখা পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৪০৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান উপজেলা বরেন্দ্র অফিসার, সচিব মোঃ আব্দুল হামিদ সরদার প্রধান শিক্ষক পীরগাছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
পাওটানা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মোট ৩৬৪জন পরিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, মানবিক বিভাগ ২৭০জন, বিজ্ঞান বিভাগ ৯৪জন, ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ শামছুজ্জামান প্রাথমিক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ আব্দুল বাতেন অধ্যক্ষ পাওটানা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা
এবং হল সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোঃ অলি আহমেদ।
পীরগাছা হাজী ছফের উদ্দিন দ্বি-মুখী আলিম
মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৫০৩জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। ৭এপ্রিল গণিত বিষয়ে ৪১৭জনের মধ্যে ৪০৬জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে।
দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আতিকুর রহমান , সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা মোঃ হাবিবুর রহমান অধ্যক্ষ পীরগাছা হাজী ছফের উদ্দিন দ্বি-মুখী আলিম মাদ্রাসা। শুধু একদিন ব্যাতিক্রম ঘটনা ছাড়া বাকি দিন গুলো অপ্রীতিথিকর ঘটনা ছাড়াই পরীক্ষা কেন্দ্র গুলির পরীক্ষা চলছে বলে জানা যায়।